★অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেইঃ
★এক রাজা ঘোষনা দিলেনঃ
"যে আমার বড় ছাগলটা একদিন পেট ভরে খাওয়াতে পারে। তাকে আমি রাজ্যের
অর্ধেক লিখে দেবো এবং আমার কন্যা।
★অর্ধেক রাজ্য আর রাজকন্যা পাওয়ার আশায়
দূর দুরান্ত থেকে মানুষজন এসে ছাগলটিকে
সকালে নিয়ে যায়। সারাদিন খুব ভালো ভালো
খাওয়া খাইয়ে, সন্ধ্যায় যখন রাজ দরবারে ফেরৎ
দেয়। রাজা ছাগলটির ক্ষুদা পরীক্ষা করার জন্য
দুটো ঘাস ছাগলের সামনে দেন।
ছাগল সঙ্গে সঙ্গে ঘাস দুটো খেয়ে ফেলে।
রাজা খুব আফসোসের সঙ্গে বলেঃ কি হ্যা,
তুমিতো আমার ছাগলকে পেট ভরে
খাওয়াই নাই। তারতো ক্ষুদা আছে।
তুমি ব্যর্থ।
এভাবে সকলেই চেষ্টা করে পারলো না।
যে যতই পেট ভরে খাওয়াক। রাজার ঘাস
পেলে ছাগল পাগল হয়ে ওটাই খায়। কেউ
আর ছাগলটাকে নিতে আসে না।
রাজা বললেনঃ আমার রাজ্যে এমন মানুষ
নেই আমার ছাগলটাকে পেট পুরে খাওয়াতে
পারে। তূমরা কি এতোটাই দরিদ্র।
এক রাখাল যুবক এসে বললোঃ জাহাপনা
আমি আপনার ছাগলটাকে পেট পুরে খাওয়াতে
পারবো। অর্ধেক রাজ্যের দলিল আর রাজকন্যা
Ready রাখবেন।
মৃদু হেঁসে রাজাঃ সন্ধ্যায় ছাগলটা পেট ভড়িয়ে
নিয়ে আসো। ওমন কথা অনেকেই বলেছিলো।
রাখাল সন্ধ্যায় ছাগলটি নিয়ে হাজির হলো।
রাজা খুব আত্মবিশ্বাসের সাথে ছাগলটির সামনে
দুটো ঘাস রাখতেই ছাগলটি মুখ ফিরিয়ে নেয়।
বহুবার চেষ্টা করেও ছাগলটি ঘাস মুখে নিচ্ছে না।
এক পর্যায় রাজা সেনাপতির সহায়তায় বল প্রয়োগ
করে ছাগলের মুখ খুলে ঘাস ঢুকিয়ে দিয়ে
বললোঃ এই দেখো, ছাগলটির ক্ষুদা ছিলো।
ঘাস খেয়েছে।
রাজ দরবারের উপস্থিত সকলে হো হো করে
হাসতে লাগলো। রাজা তাকিয়ে দেখে ছাগলটি
বমি করে ঘাসগুলো বের করে দিয়েছে।
রাখাল রাজকন্যাসহ অর্ধেক রাজ্য পেলো।
রাজা একদিন জিজ্ঞাসা করলোঃ বাবা, তুমি কি
খাদ্য দিয়েছিলে আমার ছাগলের ক্ষুদা ছিলো না।
যুবকঃ জাহাপনা, আমি ছাগল চড়াতে চড়াতে
অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি।
রাজাঃ সেটাতো বুঝেছি বাবা জ্বী। কিন্তু......?
যুবকঃ ছাগলটাকে আমার বাড়ীতে নিয়ে
ঘাসের সঙ্গে সব ধরনের গাছের পাতা ওর মুখের
সামনে দিয়েছিলাম। পাতা খেয়ে যখন ঘাসে মুখ
দেয় তখনই ছাগলের পাছায় বেত দিয়ে কষে কয়েকটা
বারি দেই। ম্যা ম্যা করতে থাকে। ঘাস মুখে দিলেই
পাছায় বারি। বারি খাইতে খাইতে ঘাসের প্রতি ওর ঘৃ ণা
সৃষ্টি করে দিয়েছি। যদি ভুলেও ঘাস খেয়ে ফেলেছে
সঙ্গে সঙ্গে বমি করে দেয়। সে জানে ঘাস মুখে দিলেই
তাকে প্রচন্ড মা র খেতে হবে। সেই ভয় আপনার দেওয়া
ঘাস মুখে নেয় নাই। 🌴🌴🌴🌴🌴

0 Comments